সালটা ছিল ২০২০। বাংলাদেশে অনলাইন বিনোদনের বাজারটা তখন সবে বড় হচ্ছে। স্মার্টফোন ছড়িয়ে পড়েছে ঘরে ঘরে, মোবাইল ইন্টারনেট সহজলভ্য হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ভরযোগ্য, বাংলা ভাষায় পরিচালিত কোনো বেটিং প্ল্যাটফর্ম ছিল না। বেশিরভাগ সাইট ছিল বিদেশি, ইংরেজিতে, আর সেখানে বিকাশ বা নগদে টাকা পাঠানোর সুযোগ নেই। এই অভাবটা পূরণ করতেই জন্ম হয় 777jiya-র।
প্রতিষ্ঠাতা দলটি ছিল মূলত তরুণ উদ্যোক্তা এবং প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে গঠিত, যারা নিজেরাও ক্রিকেট ও ফুটবলের ভক্ত। তারা বুঝেছিলেন যে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা আলাদা হওয়া দরকার – ভাষা, পেমেন্ট পদ্ধতি, গ্রাহক সেবা সবকিছুতেই দেশীয় স্পর্শ থাকা জরুরি।
স্বচ্ছতার সাথে বেড়ে ওঠা
777jiya শুরু থেকেই স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। প্রতিটি বাজির ফলাফল, পেআউটের হিসাব, অডসের গণনা – সব কিছু খোলামেলাভাবে দেখানো হয়। তৃতীয় পক্ষের অডিটে আমাদের RNG (র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর) পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এই স্বচ্ছতাই 777jiya-কে মানুষের বিশ্বাস অর্জনে সাহায্য করেছে।
💬 আমাদের দর্শন: "বিনোদন হোক নিরাপদ, বাজি হোক ন্যায্য, আর জয়ের টাকা পৌঁছাক সবার আগে।" – 777jiya প্রতিষ্ঠাতা দল
বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝি আমরা
বাংলাদেশের ইন্টারনেট গতি কখনো দ্রুত, কখনো ধীর। মাসের শেষে ব্যালেন্স কম থাকে, বড় ডিপোজিট সবসময় সম্ভব হয় না। বিকাশে টাকা পাঠানো সহজ, ব্যাংকে নয়। এই বাস্তবতাগুলো মাথায় রেখেই 777jiya-র পুরো ব্যবস্থাটা তৈরি। সর্বনিম্ন ডিপোজিট মাত্র ৳২০০, সর্বনিম্ন বাজি ৳৫০, আর উইথড্রয়ালে লম্বা অপেক্ষা নেই।
777jiya-র মোবাইল অ্যাপ কম স্পিডের ইন্টারনেটেও মসৃণভাবে চলে। লাইভ ম্যাচের স্কোর আপডেট হয় তাৎক্ষণিকভাবে, কিন্তু ডেটা খরচ থাকে সীমিত। এটা নিতান্তই কৌশলী একটা সিদ্ধান্ত, কারণ আমরা জানি আমাদের বেশিরভাগ ব্যবহারকারী মোবাইলেই আসেন।
কমিউনিটি আমাদের শক্তি
লক্ষাধিক সদস্য নিয়ে গড়ে ওঠা এই কমিউনিটিই 777jiya-র আসল পরিচয়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী – দেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ প্রতিদিন 777jiya-তে লগইন করেন। ম্যাচের দিন বাংলাদেশ খেলছে মানেই 777jiya-তে হাজার হাজার সক্রিয় ব্যবহারকারী। এই উত্তেজনা, এই সামূহিক আনন্দ – এটাই তো 777jiya।